সাধু হত্যা মামলায় যে অডিও টেপটির কথা বলেছিলাম ( ইনবক্সে অনেকেই নিয়েছেন) সেটি পুলিশের ভার্সন, যদিও আখড়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেক জন মহারাজের কাছ থেকেই সেটি পেয়েছিলাম। ওঁর সঙ্গেই ফোনে যোগাযোগ আছে, কথাবার্তা চলছে। এই মাত্র আবার কথা হল। জানা গেল আরও কিছু নতুন তথ্য। ( আমার অজানা ছিল) ওই এলাকাটি নিঃসন্দেহে আদিবাসীদের। কিন্তু এরা সবাই converted christian! শুধু তাই নয় রীতিমত মগজ ধোলাইয়ের ফসল।।কিছুদিন আগেই নাকি দুজন পাদ্রী ওই এলাকায় যান। সাধু সন্ন্যাসী সম্পর্কে চরম নেতিবাচক ধারণার প্রচার চলে। যা এদেশে নতুন কিছু নয়। তার ফলেই গেরুয়াধারীদের উপর এই পৈশাচিক আক্রোশ। পুলিশের প্রশ্রয় পরিষ্কার। ভিডিওতেও যা দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিধায়কেরও মদত থাকা অসম্ভব নয়। হ্যাঁ তিনি আবার বামপন্থী দলের।
লক ডাউনের পর বিপুল প্রতিক্রিয়া আছড়ে পড়বে। আখড়ার সাধু সন্ন্যাসীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। ব্যক্তিগতভাবেও চাই দেশ উত্তাল হোক। বলাই বাহুল্য এ নিয়ে তথাকথিত "বুদ্ধিজীবীদের" কোনো হেলদোল নেই। তাঁরা এবারেও নীরব। দুদিন আগেই বুকারজয়ী লেখিকা মাননীয়া অরুন্ধতী রায়,( অতি কৌশলে নিজের খ্রিস্টান পরিচয়টি লুকিয়ে রাখেন। সুজানা শব্দটিও নামের সঙ্গে ব্যবহার করেননা) মাঠে নেমে পড়েছেন৷ কিন্তু যেটি খুলেছেন সেটি মুখ না গুহ্যদ্বার বোঝা মুশকিল। এত দুর্গন্ধ কি মুখ থেকে বেরোয়! মনে হয়না! তা উনি কী বললেন লক ডাউনের নামে কেন্দ্রীয় সরকার ( পড়ুন মোদি সরকার) মুসলমান দমন করছে। খেঁকশিয়ালও হাসবে! ইহা ফুলিয়ে উহা দুলিয়ে সারা দেশেই ( যোগীরাজ্য বাদ দিয়ে) ওঁরা নামাজ, জমায়েত চালিয়ে যাচ্ছেন, এরাজ্যের অবস্থা তো কহতব্যই নয় -- লেখিকা মহাশয়ার তাহা চোখেই পড়তেছেনা। করোনা সংক্রমণ চলাকালীন নিজামুদ্দিনের জমায়েতকেও নির্লজ্জের মত সমর্থন করে চলেছেন। তা এই সাধু হত্যার বিরুদ্ধে তিনি কি একবারও গুহ্যদ্বার থুড়ি মুখ খুলিয়াছেন? নৈব নৈব চ! গেরুয়াধারী সাধুর পরিবর্তে এঁরা যদি মৌলবি হতেন? অতদূর যাওয়াএ দরকারই নেই, মৃতদের নাম যদি সুশীল গিরি, নীলেশের পরিবর্তে আফজল, আখলাক, আলি, আক্রাম হত, তবে আর দেখতে হত না! হাঁউ মাউ খাঁউ গেরুয়া সন্ত্রাসবাদের গন্ধ পাঁউ বলে রে রে করে তেড়ে আসতেন! শুধু উনি নন, অনেকেই, তথাকথিত বুদ্ধিজীবী বলে মিডিয়া যাদের প্রোমোট করে থাকে!
কিন্তু এখানেও প্রশ্ন উঠে আসে? এতদিনেও কোনো জাতীয়বাদী বুদ্ধিজীবীর দেখা নেই কেন? এর উত্তর অনেকের মত আমিও জানি! আচ্ছা ভারতরত্ন, পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ ইত্যাদি পেলে কি বুদ্ধিজীবী বলা যাবে? কিন্তু ওঁরা মঞ্চে ওঠেন এবং নেমে যান। এবারও অনেকে উঠেছেন, নেমেছেন। তাঁদের খবর কী? ইয়ে মানে ধৃষ্টতা মার্জনীয়। চোখে পড়েনি কিনা! তা ওঁরা কি কথা টথা কইতে পারেন! দেশের ভাল মন্দে মুখ খুলতে পারেন! কে জানে!
আরেকটি প্রশ্ন! আদিবাসী এলাকা মানেই খ্রিস্টানদের মৃগয়া ক্ষেত্র হয়ে উঠছে কেন? দেশে এত এত সাধু সন্ন্যাসী, তাঁরা কেন এই পিছিয়ে পড়া মানুষগুলিকে মগজ ধোলাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারছেন না? কেন বার বার খ্রিস্টান অনুপ্রবেশ ঘটে চলেছে? আশ্রমে, পর্বতের গুহায় বসে ধ্যান যজ্ঞ করলেই কি পরমার্থ পাওয়া যাবে? স্বয়ং স্বামী বিবেকানন্দও জাগতিক কর্তব্য, কর্মযোগকে অস্বীকার করতে পারেননি! তাঁদের ভাবতে অনুরোধ করি।
আরেকটি প্রশ্ন! কবে থেকেই anti conversation law ধর্মান্তর বিরোধী আইনের কথা শুনছি! সেটি কত দূর? কেউ কেউ বলছেন এমন আইন পাস হলে নাকি মুসলমান, খ্রিস্টানদের ঘর বাপসি আটকে যাবে! তাই না হওয়াই ভাল! বেশ! কিন্তু কোন বাপসিটা হচ্ছে বাপ ধন? চাকা তো উল্টো দিকেই ঘুরে চলেছে! এমন চলতে থাকলে ঘরই থাকবেনা, বাপসি কাকে করাবেন?
Post a Comment
যুক্তি সংগত কথা বলুন.................